‘M. S. Dhoni- The Untold Story’-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। কঙ্গনা রানাউতের ‘সিমরান’ বা গৌতম ঘোষের ‘রাহগীর’-ও প্রযোজনা করেছেন তিনি। এবার অনুষা-ঋতব্রতর আগামী ছবি ‘হেমন্তের অপরাহ্ন’-তে পরিচালকের ভূমিকায় ধরা দিয়েছেন সেই মানুষটিই। তিনি অশোক বিশ্বনাথন।
গতকাল ৮ই মে, কলকাতার ICCR-এ অনুষ্ঠিত হল, ছবির পোস্টার লঞ্চের জনজমাট অনুষ্ঠান। পরিচালক শ্রী অশোক বিশ্বনাথন-সহ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক শ্রী অমিত আগরওয়াল এবং ছবির কলাকুশলীরা। স্বনামধন্য পরিচালক গৌতম ঘোষ উদ্বোধন করেন ছবির পোস্টার।
অশোক বিশ্বনাথনের এই ছবিতে দেখা যাবে নাটকের মঞ্চ। সাম্প্রতিক করোনাকালে নাট্যশিল্পীদের জীবন-সংগ্রামও উঠে আসবে এই ছবিতে। মঞ্চে, দর্শকদের সামনে শিল্পীদের সম্পর্কটা দেখতে পান সাধারণ মানুষ।
কিন্তু মঞ্চের বাইরে বা পর্দার পিছনে তাঁদের জীবন বা পরস্পরের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কটা ঠিক কেমন! ছবির মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন একজন বিপত্নীক প্রবীণ ব্যক্তি। তাঁর ছেলে থাকে বিদেশে, ইউক্রেনে। একাকিত্ব কাটাতে নাটকের দলে যোগ দিয়ে কীভাবে বদলে যায় তাঁর জীবন!
পরিচালক বলেন, ‘সাম্প্রতিককালে মানসিক উদ্বেগ, অবসাদ মানুষকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সেটা এই ছবির একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে।’ প্রযোজক অমিত আগরওয়ালের মতে, ‘এই সিনেমায় ব্যাকড্রপে অশোকদা লুইগি পিরান্ডেলোর একটি নাটককে ব্যবহার করেছেন। একজন বিপত্নীক প্রবীণ নাটকের দলে যোগ দেওয়ার পর, অতিমারী-সঙ্কট, ইউক্রেন-যুদ্ধ, মহিলা সহকর্মীর প্রতি তাঁর টান এবং অচেনা কিছু মহিলার আতঙ্কে বদলে যায় তাঁর জীবন।’
অনুষা বিশ্বনাথন, ঋতব্রত মুখার্জী ছাড়াও এ ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে সত্যপ্রিয় মুখোপাধ্যায়। থাকছেন বিদীপ্তা চক্রবর্তীকেও। ‘লক্ষ্মীছাড়া’র গৌরব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন এই ছবির মিউজিকের দায়িত্বে। জয়দীপ ভৌমিকের ক্যামেরা এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্ঘ্যকমল মিত্রের সম্পাদনায় সেজে উঠবে এই ছবি।
আদর্শ টেলিমিডিয়া এবং এভি প্রোডাকশনের তরফে, অমিত আগরওয়াল এবং অশোক বিশ্বনাথন প্রযোজিত এই ছবি আসতে চলেছে চলতি বছরের জুনেই।
বেথুন কলেজ থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক। পড়ার নেশা ছোট থেকে, প্রাথমিকভাবে লেখালেখির শুরু শখেই। তারপর সংবাদপত্র, পত্র-পত্রিকায় সমালোচনা পড়ার অভ্যাস আর বিভিন্ন নাটক, সিনেমা দেখার পর বিশ্লেষণ করার শখ থেকেই ইচ্ছে সমালোচক হওয়ার। বিনোদনজগতের বিভিন্ন খবর করার পাশাপাশি নাটক এবং সিনেমা দেখে তার গঠনমূলক সমালোচনাও করেন তিনি।
বেথুন কলেজ থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক। পড়ার নেশা ছোট থেকে, প্রাথমিকভাবে লেখালেখির শুরু শখেই। তারপর সংবাদপত্র, পত্র-পত্রিকায় সমালোচনা পড়ার অভ্যাস আর বিভিন্ন নাটক, সিনেমা দেখার পর বিশ্লেষণ করার শখ থেকেই ইচ্ছে সমালোচক হওয়ার। বিনোদনজগতের বিভিন্ন খবর করার পাশাপাশি নাটক এবং সিনেমা দেখে তার গঠনমূলক সমালোচনাও করেন তিনি।