টলিউডের হাত ধরে হেমা মালিনী ফিরছেন পর্দায়! কীভাবে!

ধর্মেন্দ্র আর হেমা মালিনীর ভক্ত যে এখনো কম নয়, সে কথা আর আলাদা করে বলে দিতে হয় না। এখনো পর্যন্ত এই জুটি সুপার-ডুপার হিট। কিন্তু টলিপাড়ায় কান পাতলে এ কীসের গুঞ্জন? সত্যিই কি বড়পর্দায় দেখা যাবে ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনী জুটিকে!

আসলে বিষয়টা একটু অন্যরকম। যে ছবি নিয়ে এত আলোচনা, সেটি আসলে আদ্যোপান্ত একটি বাংলা ছবি। সেই ছবির নামই ‘হেমা মালিনী’। তবে বাস্তবের ড্রিমগার্লকে নিয়ে সে ছবি একেবারেই নয়। ছবিটির মুখ্য চরিত্রের নাম ধর্মেন্দ্র বটে, তবে তিনি অভিনেতা নন, তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। আর এই চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে এখনো পর্যন্ত বাঙালির হার্টথ্রব চিরঞ্জীৎ চক্রবর্তীকে। চরিত্রের দাবীতে তাঁর চোখে উঠেছে মোটা ফ্রেমের চশমা, গালে চাপদাড়ি।

71/1 MB-কে পরিচালক পারমিতা মুন্সী বলেন, ‘প্রত্যেকটা মানুষ যত নিঃসঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, সম্পর্কের বাঁধনগুলো আলগা হয়ে যাচ্ছে, ততই যেন মানুষ নিজেকে সেরা ভাবতে চাইছে। তাছাড়া সে চাইছে একটা কিছু মিরাক্‌ল ঘটুক, যেটা বদলে দেবে সবকিছু। এটা কিন্তু কোনো বায়োপিক নয়, হেমা মালিনী একটা কনসেপ্ট। এই আত্মপ্রতারণার নাম হেমা মালিনী, যা কিছু অপ্রাপনীয়, তাকে পেতে চাওয়ার অস্থিরতার নাম হেমা মালিনী।’

তিনি জানান, এই ছবির প্রত্যেকটি চরিত্রই অত্যন্ত চেনা লাগবে দর্শকের। কেউ কেউ মিল পেতে পারেন নিজের সঙ্গেও। ছবির নাম ‘হেমা মালিনী’ হলেও, এ গল্প কিন্তু আদতে ধর্মেন্দ্র ডাক্তার এবং এক পরিচালকের। যদিও সেই পরিচালকের চরিত্রে কে অভিনয় করছেন, তা এখনি খোলসা করতে নারাজ পরিচালক।

এই ছবিতে চিরঞ্জীতের সঙ্গে দেখা যাবে কাঞ্চনা মৈত্র, দেবলীনা দত্ত, চৈতী ঘোষাল, পিয়ালী মুন্সী, ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় এবং পাপিয়া অধিকারীকে। ছবিতে দেবলীনা দত্তের চরিত্রটি একজন নৃত্যশিল্পীর।

ছবির ক্যামেরার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন জয়দীপ বসু, শিল্প নির্দেশনার দায়িত্বে আছেন সুদীপ ভট্টাচার্য্য, সৃজনশীল পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে সুভদ্র চৌধুরীর কাঁধে, ছবির সঙ্গীত পরিচালনা এবং সম্পাদনার দায়িত্ব থাকছে যথাক্রমে মেঘ ব্যানার্জী এবং অমিত রায়ের ওপর। পরিচালনার পাশাপাশি কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ এবং গানগুলিও নিজেই লিখেছেন পারমিতা মুন্সী।

ছবিতে কিছু রদবদল হবে বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি। 71/1 MB-কে তিনি জানালেন, গানের বিষয়েও একটা দুর্দান্ত ‘সারপ্রাইজ’ অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। কী সেই সারপ্রাইজ, তা ক্রমশ প্রকাশ্য।

Author

  • Debasmita Biswas

    বেথুন কলেজ থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক। পড়ার নেশা ছোট থেকে, প্রাথমিকভাবে লেখালেখির শুরু শখেই। তারপর সংবাদপত্র, পত্র-পত্রিকায় সমালোচনা পড়ার অভ্যাস আর বিভিন্ন নাটক, সিনেমা দেখার পর বিশ্লেষণ করার শখ থেকেই ইচ্ছে সমালোচক হওয়ার। বিনোদনজগতের বিভিন্ন খবর করার পাশাপাশি নাটক এবং সিনেমা দেখে তার গঠনমূলক সমালোচনাও করেন তিনি।

    View all posts
Scroll to Top