KLIKK ‘৩৬ ঘন্টা’: টাকার লোভে পড়ে রাজনীতির ফাঁদে পা দেবেন ব্যবসায়ী?

      লোভ, প্রতারণা আর বিফলতায় জর্জরিত এক মানুষ, পারবে কি সব প্রতিকূলতা জয় করতে? নাকি ভাগ্যের পরিহাসে ধীরে ধীরে তলিয়ে যাবে অন্ধকারে? সেই উত্তর খুঁজতেই আসছে Klikk originals-এর আগামী ওয়েব সিরিজ পরিচালক জন হালদার পরিচালিত ‘৩৬ ঘন্টা’।

প্রচণ্ড আর্থিক সমস্যায় পড়ে অনেক টাকা ধার করেন এক ব্যবসায়ী, নীহার। এরপর আবার ধস নামে শেয়ার মার্কেটে, আর তাতেই তাঁর অর্থকষ্ট পরিণত হয় অভাবে। পাওনাদারদের তাগাদায় বিধ্বস্ত নীহার এবার টাকা জোগাড় করতে রওনা দেন তাঁর এক পার্টনারের কাছে। তবে ততদূর আর যাওয়া হয় না তাঁর। পথেই দুর্ঘটনাগ্রস্ত এক গাড়ীর ডিকিতে থাকা বেশ কিছু টাকা নজরে আসে তাঁর। আর লোভের বশে সেই টাকা তুলে নিতেই আরো এক সমস্যায় আটকা পড়েন নীহার। ফেরার রাস্তা হারিয়ে ফেলে শেষে এক জঙ্গলে আশ্রয় নিতে হয় তাঁকে। আর তারপরই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে পড়ে আরো গভীর এক রাজনৈতিক জালে। এই পরিস্থিতি থেকে কোন্‌দিকে বাঁক নেবে নীহারের জীবন, তা বলতে ২০২৪-এর জানুয়ারিতেই আসছে এই রোমহর্ষক থ্রিলার সিরিজ ’৩৬ ঘন্টা’।

এই সিরিজে নীহারের চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা কৌশিক রায়। টেলিভিশনে নিয়মিত অভিনয় করার পাশাপাশি বেশ কিছু ছবি ও সিরিজেও কাজ করে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু ‘Klikk’-এর সঙ্গে এটাই তাঁর প্রথম কাজ। কী বলছেন তিনি? জানা গিয়েছে, আগে সাধারণ মানুষের চরিত্রায়ন করলেও এই ভীত, পলাতক অথচ লোভে জর্জরিত একজন মানুষের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা যথেষ্টই কঠিন ছিল। জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলীর কাছেও ভীষণই উপভোগ্য এই কাজ।

তাঁর পাশাপাশি এই সিরিজে অভিনয় করছেন প্লাবন বসু, রিয়া গাঙ্গুলি, দেবশ্রী রায়, সোমনাথ চক্রবর্তী প্রমুখ। সিরিজের চিত্রনাট্য ও সংলাপের দায়িত্বে আছেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য। এর আগেও ‘Klikk’-এর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে রয়েছেন অনির, এবং সৃজনশীল পরিচালক প্লাবন বসু।

Klikk’-এর সঙ্গে এই নিয়ে তৃতীয় কাজ পরিচালক জন হালদারের। সিরিজের গল্প নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ‘এই গল্পে একটি মানুষের যাত্রার মধ্যে দিয়ে আমি বার্তা দিতে চেয়েছি, যে কীভাবে আমাদের সমস্ত কাছের মানুষরাও বিপদে বদলে যেতে পারে এবং লোভ কতটা মারাত্মক পরিণতির দিকে আমাদের প্রতিনিয়ত ঠেলে দিচ্ছে।’

আশা করা যায়, ‘Klikk’-এর বাকী ভিন্নধর্মী সিরিজগুলোর মতই জনপ্রিয় হবে ‘৩৬ ঘন্টা’।

Author

  • Debasmita Biswas

    বেথুন কলেজ থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক। পড়ার নেশা ছোট থেকে, প্রাথমিকভাবে লেখালেখির শুরু শখেই। তারপর সংবাদপত্র, পত্র-পত্রিকায় সমালোচনা পড়ার অভ্যাস আর বিভিন্ন নাটক, সিনেমা দেখার পর বিশ্লেষণ করার শখ থেকেই ইচ্ছে সমালোচক হওয়ার। বিনোদনজগতের বিভিন্ন খবর করার পাশাপাশি নাটক এবং সিনেমা দেখে তার গঠনমূলক সমালোচনাও করেন তিনি।

Scroll to Top